বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঙ্গরার চাপিতলায় গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ কেলেঙ্কারি—৪০ হাজার মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেটসহ স্টোরকিপার আটক নালিতাবাড়ীতে টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ৯০ জনের পণ্য গায়েব নারী ও কন্যার অধিকার সুরক্ষায় নালিতাবাড়ীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান সীমান্তে গ্রেপ্তার শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ কিশোরগঞ্জ ইসলামিয়া সুপার মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ১৭ রমজান: ইসলামের ইতিহাসে গৌরবময় দিন—ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ- কিশোরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর শহর শাখার উদ্যোগে পেশাজীবীদের ইফতার মাহফিল। পাগলা মসজিদে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ কেলেঙ্কারি—৪০ হাজার মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেটসহ স্টোরকিপার আটক

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

 

আকাশ খান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অনিয়মের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি ওষুধ পাচারের অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক স্টোরকিপারকে আটক করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে সরকারি ৪০ হাজার মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেট এবং ১৮টি ইলেকট্রনিক ওয়েট মেশিন জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৮ই এপ্রিল) বিকেলের দিকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোররুম তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় স্টোরকিপারকে আটক করা হয় এবং পরে তাকে রৌমারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

উদ্ধার হওয়া মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেটগুলো সরকারি ব্যবহারের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরবরাহ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এছাড়াও উদ্ধার করা ১৮টি ইলেকট্রনিক ওয়েট মেশিন সরকারি প্রকল্পের আওতায় বিতরণের জন্য বরাদ্দ ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, এসব সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম অবৈধভাবে বাইরে বিক্রি বা পাচারের উদ্দেশ্যে গোপনে মজুত রাখা হয়েছিল।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সরকারি হাসপাতালের ওষুধ যদি এভাবে পাচার হয়ে যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে যদি আরও কেউ জড়িত থাকে, তাহলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

রৌমারী থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারি হাসপাতালের ওষুধ ও সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর নজরদারি জরুরি। অন্যথায় এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর