সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, আটক ২১ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা অভিযান কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তির দাবীতে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন শাহবাগে ১৩ দফা শিক্ষাদাবিতে ছাত্র মজলিসের জাতীয় ছাত্র কনভেনশন ছাত্র সংগঠনের ৯০ শতাংশ কাজ হওয়া উচিত পড়াশোনাকেন্দ্রিক: মামুনুল হক 6 Reasons Ontario’s Fair-Play Casinos Prefer Interac Casino Payments Over Cards বন্দরে চাঁদা না পেয়ে দোকানদার নারীকে কুপিয়ে জখম ও লুটপাট, থানায় অভিযোগ

মৃত্যুর আগে শেষ বক্তৃতায় কী বলেছিলেন?

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৫ বার দেখা হয়েছে

বহু আলোচনা-সমালোচনার পর ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Ayatollah Ali Khamenei–এর মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছে—এমন দাবি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে ৪০ দিনের গণশোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তেহরানে তার প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবরে উঠে এসেছে। স্যাটেলাইটে প্রকাশিত ছবিতে প্রাসাদ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
“প্রতিরোধক শক্তি না থাকলে টিকে থাকা কঠিন”
মৃত্যুর মাত্র ১১ দিন আগে শেষবারের মতো জনসম্মুখে ভাষণ দেন খামেনি। সেই বক্তব্যে তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও “ডিটারেন্স” বা প্রতিরোধক শক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে দেওয়া ওই ভাষণে তিনি বলেন—
“আমাদের প্রতিরোধক অস্ত্র থাকতেই হবে। কোনো দেশের কাছে যদি তা না থাকে, তাহলে সে দেশ তার শত্রুদের পায়ের তলায় মিশে যেতে বাধ্য হয়।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যে তিনি মূলত ইরানের সামরিক প্রস্তুতি ও কৌশলগত শক্তি ধরে রাখার বার্তা দেন।
সতর্কতা: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় ধরনের সামরিক বা রাজনৈতিক ঘটনার ক্ষেত্রে একাধিক নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তির জন্ম দিতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর