সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ রাডার ব্যবস্থায় আঘাত হানতে সক্ষম ইরান—বাস্তবতা কতটা? ইরানের নেতৃত্বে পরিবর্তন? আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে কি এখন প্রধান—গুঞ্জন না বাস্তবতা হোসেনপুরে মোবাইল কোর্ট অভিযান, ব্যবসায়ীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা। কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাব পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। মৃত্যুর আগে শেষ বক্তৃতায় কী বলেছিলেন? আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা— গুজব, দাবি ও বাস্তবতা- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু — ঘটনাটি কী এবং এর প্রভাব- প্রথম ১০ দিন কাঁচামাল, দ্বিতীয় ১০ দিন পোশাক, শেষ ১০ দিন পরিবহন—রমজানজুড়ে সিন্ডিকেটের চাপে নাকাল জনগণ “ইরান কখনোই আগে হামলা করে না, কিন্তু পাল্টা জবাব দেয় শক্ত হাতে” কুমিল্লা-৩ আসনে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হতে চান শামীমা আক্তার রুবী, এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া

মৃত্যুর আগে শেষ বক্তৃতায় কী বলেছিলেন?

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

বহু আলোচনা-সমালোচনার পর ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Ayatollah Ali Khamenei–এর মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছে—এমন দাবি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে ৪০ দিনের গণশোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তেহরানে তার প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবরে উঠে এসেছে। স্যাটেলাইটে প্রকাশিত ছবিতে প্রাসাদ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
“প্রতিরোধক শক্তি না থাকলে টিকে থাকা কঠিন”
মৃত্যুর মাত্র ১১ দিন আগে শেষবারের মতো জনসম্মুখে ভাষণ দেন খামেনি। সেই বক্তব্যে তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও “ডিটারেন্স” বা প্রতিরোধক শক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে দেওয়া ওই ভাষণে তিনি বলেন—
“আমাদের প্রতিরোধক অস্ত্র থাকতেই হবে। কোনো দেশের কাছে যদি তা না থাকে, তাহলে সে দেশ তার শত্রুদের পায়ের তলায় মিশে যেতে বাধ্য হয়।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যে তিনি মূলত ইরানের সামরিক প্রস্তুতি ও কৌশলগত শক্তি ধরে রাখার বার্তা দেন।
সতর্কতা: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় ধরনের সামরিক বা রাজনৈতিক ঘটনার ক্ষেত্রে একাধিক নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তির জন্ম দিতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর