নালিতাবাড়ী শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা-এর রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা এলাকায় টয়লেট থেকে সানজিদা (৭) নামে এক শিশু কন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত সানজিদা উপজেলার পানিহাতা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তার মা জামেনা বেগম মারা যাওয়ার পর থেকে সে নানীর বাড়িতে থাকত। গত বুধবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (৮ মে) বিকেলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিশুটিকে শেষবার কালাকুমা এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর তার খালা সখিনা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিলে এলাকাবাসীও সেখানে জড়ো হয়ে চাপ সৃষ্টি করেন।

একপর্যায়ে পলাতক বিল্লাল হোসেন মোবাইল ফোনে স্বীকার করে বলে— সে শিশুটিকে হত্যা করে বাড়ির টিনশেড বাথরুমে রেখে গেছে। পরে শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে স্থানীয়রা ওই বাথরুম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনের বাবা চান মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলা, মা তহরণ এবং ছোট বোন রাবেয়া বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন এখনো পলাতক রয়েছে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।