স্টাফ রিপোর্টার / নিউজ নগর
বরগুনার তালতলী উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র শুভ সন্ধ্যা সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দাখিল পরীক্ষার্থী আসাদুল-এর মরদেহ নিখোঁজের ৬৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার আসাদুল বন্ধুদের সঙ্গে শুভ সন্ধ্যা সৈকতে বেড়াতে গিয়ে সমুদ্রে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে উত্তাল ঢেউ ও স্রোতের মধ্যে তলিয়ে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা টানা তিন দিন উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।
অবশেষে নিখোঁজের ৬৮ ঘণ্টা পর সৈকতের উপকূলীয় এলাকা থেকে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়।
আসাদুল একজন দাখিল পরীক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক এবং এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে পরিবারটির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, বর্ষাকালে শুভ সন্ধ্যা সৈকতে সাগরের স্রোত অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নজরদারি জোরদার করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
প্রশাসনের প্রতি এলাকাবাসীর দাবি, সৈকতে স্থায়ী লাইফগার্ড, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনার মুখোমুখি হতে না হয়।