কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নোহার নান্দলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভিযোগগুলোকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) সকালে নান্দলা ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনকালে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তারা আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে। কিন্তু তদন্ত ছাড়াই অভিযোগ তুলে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের সম্মানহানি করা অনাকাঙ্ক্ষিত।
জানা গেছে, এর আগে নান্দলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অসদাচরণের অভিযোগ এনে জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন মাদ্রাসার সাবেক অভিভাবক সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে অধ্যক্ষের সমর্থকরা এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে নান্দলা ফাজিল মাদ্রাসায় ৭৫৯ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ২৭০ জন এবং ছাত্রী ৪৮৯ জন। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক-কর্মচারীসহ মোট ২৯ জন স্টাফ কর্মরত রয়েছেন।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি।”
তিনি আরও বলেন, “মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক।