আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়াগামী লংমার্চ সফল করতে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক সংসদ সদস্য ও লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার। এতে দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা এবং শৃঙ্খলা, প্রচার, আইটি ও সাংস্কৃতিক বিভাগের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় লংমার্চের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। পাশাপাশি কর্মসূচি সফল করতে দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানানো হয়, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের। এ ছাড়া ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেবেন।

উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় প্রায় এক হাজার গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মাওয়া সড়ক ও পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাটের ফকিরহাট, খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ায় পৌঁছাবে বহরটি। সেখানে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাত সাড়ে ৮টায় সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কর্মসূচির নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় সকাল ৯টায়, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে সকাল ১১টায়, খুলনার বাবরী চত্বরে দুপুর সাড়ে ১২টায়, ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বরে দুপুর ২টায়, যশোরের মুড়লীর মোড়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে বিকেল ৫টায় পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চে গণমাধ্যমকর্মী, চিকিৎসক, শিল্পী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরাও অংশ নেবেন। কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দলীয় দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।