মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জ শহরে নদীর পাড় দখল: প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে নীরব প্রশাসন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো.রুবাঈদ আহমাদের অঙ্গীকার। ইটনার হাওরে নির্জন ঘর থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার জনমানুষের কথা তুলে ধরার নির্ভরযোগ্য কণ্ঠ: মোস্তাফিজুর রহমান নালিতাবাড়ীতে লাইসেন্স ছাড়াই হাসপাতাল পরিচালনা, প্রসূতি মৃত্যুর পর সিলগালা সকাল বেলা মকতবে ছেলে–মেয়েদের কোরআন পড়ানোর গুরুত্ব নালিতাবাড়ীতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, উপকৃত হচ্ছে হাজারো শিক্ষার্থী মুরাদনগরের কামাল্লা গ্রামে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটার অভিযোগ, এলাকাবাসীর প্রতিবাদে বন্ধ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে কিশোরগঞ্জে সাংবাদিক সংস্থার অভিষেক কোম্পানীগঞ্জ-চট্টগ্রাম রুটে বাস ভাড়া বৃদ্ধি: ঈদের পর যাত্রীদের ক্ষোভ চরমে

নালিতাবাড়ীতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, উপকৃত হচ্ছে হাজারো শিক্ষার্থী

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

নালিতাবাড়ী শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “স্কুল ফিডিং কর্মসূচি-২০২৬”-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ মার্চ) উপজেলার গড়কান্দ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পরপরই নালিতাবাড়ী পৌরসভার ৮টি বিদ্যালয়ের ১,১১৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়।

উপজেলার মোট ১২১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১৪,৯৭১ জন শিক্ষার্থী এ কর্মসূচির আওতায় আসবে। কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন (রবিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) ডিম ও রুটি, ১ দিন (সোমবার) দুধ ও ডিম এবং ১ দিন (মঙ্গলবার) মৌসুমি ফল ও বিস্কুট প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রশিদা বেগম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রতন কুমার দাস, গড়কান্দ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা হ্যাপী, কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন (তুলিপ) ডিস্ট্রিবিউটর এবং নালিতাবাড়ী উপজেলা সাবেক প্যানেল মেয়র কামরুজ্জামান কামু।
প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা হ্যাপী বলেন, সরকারের এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও শারীরিক চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা টিফিন নিয়ে আসতে পারে না বা পারিবারিক কারণে ঠিকমতো খাবার পায় না—তাদের জন্য এই কর্মসূচি বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

এ সময় কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, খাবারের বর্জ্য যেমন ডিমের খোসা, কলার খোসা বা বিস্কুটের মোড়ক নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। এতে বিদ্যালয় ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, দীর্ঘদিন পর আবার স্কুলে খাবার পেয়ে তারা আনন্দিত। তাদের মতে, বর্তমানের খাবারের মান আগের তুলনায় আরও ভালো।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া রোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর