রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন

সকাল বেলা মকতবে ছেলে–মেয়েদের কোরআন পড়ানোর গুরুত্ব

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

— প্রতিবেদক: সম্পাদক, নিউজনগর পত্রিকা

সকাল বেলার নির্মল পরিবেশে মকতবে ছেলে–মেয়েদের কোরআন শিক্ষা দেওয়ার প্রচলন আমাদের সমাজে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। বাবা–মায়েরা ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় বেড়ে উঠতে চান। এজন্য মক্তবের সকালবেলার ক্লাসগুলো এখনো সমানভাবে জনপ্রিয় এবং কার্যকর।
স্থানীয় একাধিক মকতবে দেখা গেছে, দিনের প্রথম আলো ফুটতেই ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা খাতা, কলম ও কাঠের তাক নিয়ে হাজির হয়। শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে তারা সঠিক উচ্চারণে কোরআন তিলাওয়াত শেখে এবং ধর্মীয় আচরণ–আচরণ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে।
শিক্ষকরা জানান, সকাল বেলা পড়াশোনার কয়েকটি বিশেষ সুবিধা রয়েছে। সবার মন সতেজ থাকে, মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয় এবং শিশুদের মস্তিষ্ক নতুন তথ্য গ্রহণে আরও সক্ষম থাকে। ফলে কোরআন শিক্ষা দ্রুত ও সুন্দরভাবে রপ্ত করতে পারে শিক্ষার্থীরা।
অভিভাবকরা বলেন, নৈতিকতা, শিষ্টাচার, সামাজিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় জ্ঞান শিশুর চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মকতবে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব গুণ তারা ছোটবেলা থেকেই অর্জন করে। এর পাশাপাশি শিশুরা শৃঙ্খলা, সময় মেনে চলা এবং শিক্ষকদের প্রতি সম্মান করতে শেখে।
স্থানীয় সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ শেখানোর এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ, নৈতিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। এজন্য মকতবে সকাল বেলা কোরআন শিক্ষা দেওয়ার বিষয়টি শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব নয়; বরং সমাজ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সর্বোপরি, সকাল বেলার মক্তব কার্যক্রম শিশুদের মানসিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। সমাজের প্রতিটি পরিবার যদি সন্তানদের নিয়মিত মকতবে পাঠানোর প্রতি গুরুত্ব দেয়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও শিক্ষিত, নৈতিক ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে—এভাবে মত প্রকাশ করেন স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের অনেকে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর