আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ঘিরে আবারও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছে North Korea। দেশটি বলছে, কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী।
উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতির সমালোচনা করে আসছে। পিয়ংইয়ং মনে করে, বৈদেশিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোনো দেশের নীতি পরিবর্তন করা যায় না; বরং এতে আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়ে।
ইরান ইস্যুতেও উত্তর কোরিয়ার বক্তব্য একই ধাঁচের। তারা সরাসরি সামরিক জোট বা অংশগ্রহণের ঘোষণা না দিলেও রাজনৈতিকভাবে পশ্চিমা হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। পিয়ংইয়ংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতিতে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানই একমাত্র পথ।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান তাদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা কৌশলের অংশ। পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে তারা আত্মরক্ষার মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরে এবং বলে, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সক্ষমতা থাকলেই বাহ্যিক চাপ মোকাবিলা সম্ভব।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তর কোরিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে China ও Russia–এর সঙ্গে। ফলে বৈশ্বিক উত্তেজনার সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বক্তব্য বেইজিং ও মস্কোর অবস্থানের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে, ইরানসহ যেকোনো সংঘাতপূর্ণ ইস্যুতে উত্তর কোরিয়া প্রকাশ্যে সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করলেও সরাসরি যুদ্ধের অংশ হওয়ার ইঙ্গিত দেয় না। বরং রাজনৈতিক বার্তার মাধ্যমে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান জোরালো করে তোলে।