শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অসম্ভবকে সম্ভব করলেন নেত্রকোনার এসপি: ১৫ দিনেই ফিরল হারানো হাসি! ক্ষতিকর রং মিশিয়ে আইসক্রিমের কোন তৈরির দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ৪ আসামি ছিনতাই লাল-সবুজ এসি বাস চালুর গুঞ্জনে পরিবহন ব্যবসায়ীকে হুমকি কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযান: প্রায় ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠক অনুষ্ঠিত, বাজেট অনুমোদন এক ফোঁটা বৃষ্টি মানেই ‘মৃত্যুফাঁদ’—নগুয়া থেকে মোরগ মহল সড়কে চরম ভোগান্তি জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে মাঠে পুলিশ সুপার মুরাদনগরে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা রাজারহাটে রাজনৈতিক সহিংসতা: ‘শিশির’কে ঘিরে উত্তেজনা, আহত একাধিক

অসম্ভবকে সম্ভব করলেন নেত্রকোনার এসপি: ১৫ দিনেই ফিরল হারানো হাসি!

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন

সময়: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
​নেত্রকোনা: হারিয়ে যাওয়া শখের মোবাইল ফোনটি ফিরে পাওয়া যেন এক ‘সোনার হরিণ’ পাওয়ার মতোই কঠিন কাজ। অনেকেই ফোন হারালে থানায় ডায়েরি করেন ঠিকই, কিন্তু তা ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেন দ্রুতই। তবে সেই চিরাচরিত ধারণা ভেঙে দিয়ে নজির সৃষ্টি করলেন নেত্রকোনার পুলিশ সুপার (এসপি)। মাত্র ১৫ দিনের মাথায় উদ্ধার করা হলো এক সাধারণ নাগরিকের শখের ফোন।

পুলিশের এই অভাবনীয় তৎপরতায় চারদিকে বইছে প্রশংসার জোয়ার।
​হারানো স্বপ্ন যখন বাস্তবে ফেরে
​ঘটনার শুরু মাত্র দুই সপ্তাহ আগে। প্রিয় মোবাইল ফোনটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন স্থানীয় এক নাগরিক। আইনের প্রতি আস্থা রেখে তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। কিন্তু মনে মনে সংশয় ছিল—সত্যিই কি মিলবে হারানো সেই স্মৃতি? তবে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের সাইবার ইউনিটের দক্ষ কর্মকর্তারা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সুনিপুণ জাল বুনে মাত্র ১৫ দিনের মাথায় শনাক্ত করা হয় ফোনটির অবস্থান।
​আজ এক আনন্দঘন মুহূর্তে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ভুক্তভোগীর হাতে উদ্ধারকৃত ফোনটি তুলে দেন স্বয়ং পুলিশ সুপার মহোদয়। ফোনটি ফিরে পেয়ে মালিকের চোখে-মুখে ছিল অন্যরকম এক স্বস্তি ও প্রাপ্তির আনন্দ।
​’পুলিশই জনগণের প্রকৃত বন্ধু’
​মোবাইলটি হাতে পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ওই নাগরিক। তিনি বলেন:
​”আমি ভেবেছিলাম আমার শখের ফোনটি চিরতরে হারিয়ে গেছে। কিন্তু পুলিশ যে এতটা আন্তরিকভাবে কাজ করবে, তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। এসপি মহোদয়ের হাত থেকে ফোনটি নেওয়ার সময় মনে হলো—পুলিশ আসলেই জনগণের বিপদের বন্ধু। তাদের এই পেশাদারিত্ব আমাদের পুলিশের প্রতি আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দিল।”
​সেবার ব্রত নিয়ে মাঠপর্যায়ে পুলিশ
​এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “পুলিশের কাজ শুধু অপরাধ দমন নয়, বরং জনগণের প্রতিটি সমস্যার পাশে দাঁড়ানো। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের হারানো জিনিস ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। জনগণের মুখে এই এক চিমটি হাসির জন্যই আমাদের দিনরাত পরিশ্রম।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর