কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে ছোট ছোট মিছিলের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আনোয়ারুল ইসলাম বাবুল এবং সঞ্চালনা করেন গোলাপ মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম। সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন ওয়াজ করুন, সুজন মিয়া ও মোস্তফা কামাল।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল হক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ উদ্দিন রনক, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল্লাহ কায়ছার, জেলা যুবদলের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলী মোস্তবা তাজবির, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মারুফ আল মোস্তফা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম নিশাতসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
সভায় বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী ইসরাফিল মিয়া, ৬ নং পুমদি ইউনিয়ন সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বাবুল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মারুফ আল মোস্তফা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম নিশাত, যুবদল সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন এবং শ্রমিক দল, পৌর বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “গত ১৭ বছর অ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জেল খেটেছি। সুখে-দুঃখে তৃণমূল নেতাদের পাশে থেকেছি। আমি পালিয়ে যাইনি, নেতা সোহেলও পালিয়ে যায়নি। জনগণ আমাকে চায়। কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে নমিনেশন দিলে আমি কিশোরগঞ্জকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দেব। নেতাকর্মীদের পাশে সবসময় থাকবো।”
তিনি আরও বলেন, “দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই চলছে। তৃণমূল শক্তিশালী হলে পরিবর্তন আসবেই। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৃণমূল থেকে সংগঠিত হচ্ছি।”
সভায় নেতাকর্মীরা হোসেনপুরে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। স্থানীয়রা জানান, মাজহারুল ইসলামের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বিএনপির কর্মীদের মধ্যে নতুন আশা ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।