রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাওনা টাকার দাবিতে সোনারগাঁয়ে জানাজা আটকে দেওয়ার অভিযোগ, পরে পরিবারের আশ্বাসে সম্পন্ন দাফন অনলাইন জুয়া ও মা,দকা,সক্তি নিয়ে দ্বন্দ্বে বড় ভাইয়ের আ”ঘা”তে ছোট ভাই নিহত। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলল ডাকসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ছাত্রশিবির, ক্ষমা দাবিতে বিবৃতি ঈদের আনন্দ ভাগাভাগিতে কটিয়াদীতে জামায়াতের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রীতিভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাউফল পাবলিক ফিল্ডে কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণে মাঠে নামলেন ড. মাসুদ এমপি ঈদুল আযহা উপলক্ষে মহিনন্দ ইউনিয়নবাসীকে চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীর শুভেচ্ছা। ঈদুল আযহায় সুতারপাড়া ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ কবির উদ্দিন ভূঁইয়া ১৯৯তম শোলাকিয়া ঈদজামাতে নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েন

পাওনা টাকার দাবিতে সোনারগাঁয়ে জানাজা আটকে দেওয়ার অভিযোগ, পরে পরিবারের আশ্বাসে সম্পন্ন দাফন

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে এক ব্যবসায়ীর জানাজা ও দাফন কার্যক্রম আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। পরে মৃতের পরিবারের সদস্যরা বকেয়া টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিলে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

মৃত গোলজার হোসেন উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের গোপেরবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঈদুল আজহার দিন (২৮ মে) দুপুরে তিনি মারা যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মশুরাকান্দা ঈদগাহ মাঠে গোলজার হোসেনের জানাজার আয়োজন করা হয়। এ সময় সনমান্দী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম প্রধান দাবি করেন, মৃত ব্যক্তির কাছে তার এক লাখ ৩৬ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই পাওনা পরিশোধের বিষয়ে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে বাধা দেন।

পরে মৃতের স্বজনরা বকেয়া টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতির সমাধান হয় এবং জানাজা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হজরত মিয়া বলেন, “জানাজায় কয়েকশ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এমন ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মৃতের পরিবারের সদস্য সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া সুমন নামে আরেক স্বজনের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অভিযোগের বিষয়ে সায়েম প্রধান বলেন, “গোলজার হোসেনের সঙ্গে আমার ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। তার কাছে আমার এক লাখ ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। দীর্ঘদিন তাগাদা দিয়েও টাকা পাইনি।”

তিনি আরও বলেন, “জানাজা আটকে দেওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি সঠিক নয়। মূলত পাওনা টাকার বিষয়ে একটি সমাধানে পৌঁছানোর জন্যই আলোচনা হয়েছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা আগামী রোববার টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিলে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়।”

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমাদের কেউ অবহিত করেননি। জানানো হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেত।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং সামাজিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর