পবিত্র রমজান মাসে দেশজুড়ে যাকাত-ফিতরা ও দানের প্রবাহ বাড়লেও, এক মাদ্রাসা এতিমখানার শিক্ষার্থীর চিঠি সামনে এনেছে এক করুণ বাস্তবতা—দান থাকলেও তা সবসময় পৌঁছাচ্ছে না প্রকৃত প্রাপকের কাছে।
সম্প্রতি পাওয়া এক চিঠিতে একজন এতিম শিক্ষার্থী তার মায়ের কাছে নিজের কষ্টের কথা জানায়। চিঠিটি যেন এক নিঃশব্দ আর্তনাদ—
╔════════════════════╗
“আম্মা,
একটা সাবান দিও, সাবান শেষ।
একটা সাদা পাঞ্জাবি দিও, আগেরটা ছিঁড়ে গেছে।
ইফতারে বুট-মুড়ি দেয়, রাতে খেতে দেয় না, সেহরিতে দেয়।
আমার লাগি একটু ভালো খাওন আনিও।
একটা মশারি দিও, চাদর দিয়ে মশা কামড়ায়।”
╚════════════════════╝
এই কয়েকটি লাইনে ফুটে উঠেছে এক শিশুর অভাব, কষ্ট আর বঞ্চনার নির্মম চিত্র। যেখানে দানের মাধ্যমে স্বস্তির কথা, সেখানে এখনো মৌলিক চাহিদার জন্য লিখতে হচ্ছে এমন চিঠি।
এমন বাস্তবতায় যাকাত-ফিতরা সঠিক হাতে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। এই দায়িত্ব পালনে কাজ করছে নিউজনগর পরিবার, যারা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে দান পৌঁছে দিতে সহায়তা করছে।
📞 যোগাযোগ: 01615562271
💰 নগদ: 01711650209
শেষ কথা:
একটি সাবান, একটি পাঞ্জাবি বা একটি মশারি—এসবই কারো কাছে বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। তাই দান করুন, তবে নিশ্চিত করুন—তা যেন পৌঁছায় সেই শিশুটির মতো অসহায় মানুষের