শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে কুলিয়ারচরে “মানবিক দৃষ্টি”র পথচলা শুরু মুরাদনগরে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, প্রতিবাদে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে রাজনীতিক ও নাগরিকদের অংশগ্রহণ ফসল ঘরে তুলতেই যুদ্ধ—বাঁশের নড়বড়ে সাঁকোয় জীবন ঝুঁকিতে শোলাপুকুরিয়া-ভবানীপুরের মানুষ ভুয়া স্ক্রিনশট ও হামলার প্রতিবাদে ডাকসু তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে নকলায় ১০ হাজারের বেশি পরিবারের জন্য টিসিবি পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালু কিশোরগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, কৃষি উন্নয়নে প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্বারোপ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার প্রতিবাদে রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে হাজং প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি

কিশোরগঞ্জে সরকারি নিয়োগে প্রক্সি কাণ্ড, ১৫ দিন করে কারাদণ্ড

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৬ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়–এর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগে ৯ পরীক্ষার্থীকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষার সময় অনিয়মটি ধরা পড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও রাজস্ব প্রশাসন নিয়োগ নির্বাচনী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।
তিনি জানান, গত ২০ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজস্ব প্রশাসনের অধীনে ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক ৫৫টি, নিরাপত্তা প্রহরী ৩টি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১টিসহ মোট ৫৯টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষার ফল ২২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের পর উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মৌখিক পরীক্ষার সময় কয়েকজন পরীক্ষার্থীর আচরণ ও উত্তর অসংলগ্ন মনে হলে তাদের লিখিত খাতার হাতের লেখার সঙ্গে তাৎক্ষণিক লেখার মিলিয়ে দেখা হয়। সেখানে অমিল পাওয়া গেলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।


পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান ও রিয়াদ হোসেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতেও এমন অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর