কিশোরগঞ্জে সাম্প্রতিক এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীর মুখে শোনা যায় বিতর্কিত ও সহিংসতামূলক স্লোগান—
“একটা একটা শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর”।
এই স্লোগানকে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন স্লোগান শুধু প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ উস্কে দেয় না, বরং গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। বিশেষ করে যখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বারবার উচ্চারিত হচ্ছে, তখন এ ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
অন্যদিকে তারেক রহমান সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন—
❝ বিজয়ীর কাছে পরাজিতরা নিরাপদ থাকলে বিজয়ের আনন্দ মহিমান্বিত হয়। ❞
তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহনশীলতা, উদারতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্বকেই সামনে আনে। বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্বের এই বার্তা মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝেও প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।
স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন কখনোই সহিংসতার ভাষায় প্রকাশ না পায়। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আইনের প্রতি সম্মানই হতে পারে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভিত্তি।
এ ঘটনার পর কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে— নেতৃত্বের শান্তিপূর্ণ বার্তা ও মাঠপর্যায়ের কিছু স্লোগানের মধ্যে এই বৈপরীত্য কীভাবে সমাধান হবে?
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলগুলোর উচিত স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।