শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে ভর্তি কিশোরগঞ্জে গবাদিপশুর চিকিৎসায় বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে ১১৭০ পিস ইয়াবাসহ তিনজন আটক, একজনের বিরুদ্ধে ২০ মামলা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় পেতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইল কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশ, মানবিকতায় প্রশংসিত পুলিশ সদস্যরা নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সং’ঘর্ষে আ’হত পুলিশ সদস্য, আ’টক গাজীপুরে পুলিশের গুলিতে ১০ বছরের শিশু সামি নামে স্কুল শিক্ষার্থী আহত, বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ! রৌমারীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা-অ্যালকোহলসহ যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড আওয়ামী লীগের মতো এবার আন্দোলন দমনে লাঠি হাতে বিএনপি? কিশোরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, দুই সংগঠনকে সনদ ও ৩ লাখ টাকা ঋণ প্রদান রৌমারীতে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড

রৌমারী সিজি জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের গোডাউন থেকে বই চুরি, আটক ৯ হাজার বই।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১২৯ বার দেখা হয়েছে

আকাশ খান (কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি)
রৌমারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সিজি জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি পুরাতন দোতলা ভবনের নিচতলা ব্যবহার করা হচ্ছিল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বই সংরক্ষণ গোডাউন হিসেবে। দীর্ঘ ৬-৭ বছর ধরে বই সংরক্ষণ ও বিতরণের কাজে ব্যবহৃত এ গোডাউন থেকেই সম্প্রতি বই সরিয়ে নেওয়ার একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর রৌমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জনাব কামরুল হাসান এবং বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে নিউজনগর প্রতিনিধি প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেন। জানা যায়,চুরি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং শেরপুর গিয়ে ৯০০০ বই সহ ট্রাক আটক করেছে শেরপুর পুলিশ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বই সংরক্ষণ ও বিতরণ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সরাসরি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে। বিদ্যালয় প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনো ভূমিকা বা সম্পৃক্ততা নেই। তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে উপজেলা মাধ্যমিক অফিসের নৈশপ্রহরীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব গিয়াস উদ্দিন বলেন, “গোডাউনে বই রাখা ও বিতরণের বিষয়গুলো পুরোপুরি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আওতাধীন। বিদ্যালয় প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনো সম্পর্ক বা দায়িত্ব নেই।”

বর্তমানে এই ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব নয় বলে জানান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তবে স্থানীয়দের মধ্যে বই সরানোর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানান প্রশ্ন এবং গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই ধরনের ঘটনাগুলো শিক্ষা ব্যবস্থায় যে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার প্রয়োজন তা পুনরায় ভাবনার সুযোগ করে দেয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর