বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংরক্ষিত মহিলা আসনের নবনির্বাচিত এমপি নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির শপথ গ্রহণ কিশোরগঞ্জে আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস পালিত কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান: কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ঘটনার বিচার দাবিতে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন নেত্রকোনায় পরকীয়ার জেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড কাকরকান্দি ইউপি নির্বাচন ঘিরে মাঠে জনমুখী প্রচারণায় এগিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আবু শামা জাতীয় ক্রাইম সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন শেখ শাহীন কুড়িগ্রাম জেলায় বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ কিশোরগঞ্জে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালিত, মুক্ত সাংবাদিকতার পক্ষে জোর দাবি

“ধইরা ধইরা জবাই কর” স্লোগানে উত্তাল কিশোরগঞ্জ—তারেক রহমানের বক্তব্য কি উপেক্ষিত?

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৬০ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জে সাম্প্রতিক এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীর মুখে শোনা যায় বিতর্কিত ও সহিংসতামূলক স্লোগান—
“একটা একটা শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর”।
এই স্লোগানকে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন স্লোগান শুধু প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ উস্কে দেয় না, বরং গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। বিশেষ করে যখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বারবার উচ্চারিত হচ্ছে, তখন এ ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
অন্যদিকে তারেক রহমান সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন—
❝ বিজয়ীর কাছে পরাজিতরা নিরাপদ থাকলে বিজয়ের আনন্দ মহিমান্বিত হয়। ❞
তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহনশীলতা, উদারতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্বকেই সামনে আনে। বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্বের এই বার্তা মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝেও প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।
স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন কখনোই সহিংসতার ভাষায় প্রকাশ না পায়। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আইনের প্রতি সম্মানই হতে পারে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভিত্তি।
এ ঘটনার পর কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে— নেতৃত্বের শান্তিপূর্ণ বার্তা ও মাঠপর্যায়ের কিছু স্লোগানের মধ্যে এই বৈপরীত্য কীভাবে সমাধান হবে?
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলগুলোর উচিত স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর