রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

ঝিনাইগাতীতে শিক্ষার্থীর চার বছরের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ইউএনও’র বরাবর অভিযোগপত্র

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

তানিম আহমেদ নালিতাবাড়ী শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের হাসলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী স্বপ্না আক্তারের উপবৃত্তির টাকা দীর্ঘদিন ধরে অন্যের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর বাবা মো. সহিজ উদ্দিন যিনি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র—উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার মেয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করলেও প্রায় চার বছরের উপবৃত্তির টাকা পাননি। এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মালিঝিকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন সচিব মো. খোরশেদ আলম। বর্তমানে তিনি নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়ন পরিষদে সচিব পদে কর্মরত আছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির আইডি নম্বর ৯১ এবং প্রকৃত মোবাইল নম্বর ছিল ০১৯০৪৯৩৪১২৬। কিন্তু সচিব খোরশেদ আলম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় তার ব্যক্তিগত নম্বর ০১৯১২-৮০১৮৭৭ ব্যবহার করে নিয়মিত উপবৃত্তির টাকা তুলেছেন। বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক একাধিকবার চেষ্টা করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. সহিজ উদ্দিন বলেন,
আমি গরীব মানুষ, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। মেয়ের পড়াশোনার খরচের জন্য এই উপবৃত্তির টাকা খুব দরকার ছিল। অথচ সেই টাকা ইউপি সচিব আত্মসাৎ করে নিয়েছেন। আমি আমার মেয়ের প্রাপ্য টাকা ফেরত চাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দাবি করছি।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক সচিব মো. খোরশেদ আলম জানান,আমার নগদ একাউন্টে টাকা এসেছে কিনা আমি জানি না।

এদিকে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার ববি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর