রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল অনুষ্ঠিত জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান ২ নং মেদনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পিছনে ফেলেছে ভৈরব: বাজারের নামকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ৪, আহত শতাধিক মাঝের আলগা নদী এলাকায় বিজিবির অভিযানে ১০টি ভারতীয় গরু ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ রৌমারীতে মাদক ব্যবসায়ী পলাতক ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানে পরিবেশ রক্ষায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ “অনিয়মের বিরুদ্ধে বড় অভিযান—একযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল” নালিতাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ১৮০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, আটক ২ নালিতাবাড়ীতে গভীর রাতে সড়ক দুর্ঘটনা অটোরিকশাচালক-যাত্রী নিহত কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি মুজাহিদ বিল্লাহ, সেক্রেটারি আবু আহমেদ

অসহায় বিধবাপল্লীর বিধবারা, কষ্টে দিন পার করছে দেখার কেউ নেই

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে

তানিম আহমেদ, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের নৃশংস তাণ্ডবে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রাম ইতিহাসে “বিধবাপল্লী” নামে পরিচিত হয়। ওই বছরের ২৫ জুলাই টানা ছয় ঘণ্টার হত্যাযজ্ঞে এই গ্রামে ১৮৭ জন পুরুষকে গুলি করে হত্যা করে পাক সেনারা। নির্যাতন ও সম্ভ্রমহানির শিকার হয়ে বিধবা হন ৬৪ জন নারী।

স্বাধীনতার পর সোহাগপুর গ্রাম ‘বিধবাপাড়া’ থেকে ‘বিধবাপল্লী’ এবং সর্বশেষ ‘বীরকন্যা পল্লী’ নামে স্বীকৃতি পায়। সরকারিভাবে ওই গ্রামের পরিবারগুলোকে ভাতা, ঘর নির্মাণ, রাস্তা পাকাকরণ, শহীদদের স্মরণে সৌরজায়া স্মৃতিসৌধ নির্মাণসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। এমনকি গ্রামের ৩০ জন নারীকে দেওয়া হয় মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা) স্বীকৃতি।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই স্বীকৃতি ও সহায়তা অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনো সোহাগপুরের নারীরা দুঃখ-কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। কেউ খোঁজখবর নিচ্ছে না তাদের।

বিধবা জমিলা ও জবেদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন—
আগে ঈদের সময় সামগ্রী দিত, এখন তাও দেয় না। আমাদের খোঁজ নিতে কেউ আসে না। নানাভাবে হয়রানির শিকার হই। এই পরিস্থিতিতে সরকার যদি সহযোগিতা না করে তাহলে আমরা কী করব।

শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে বিধবাপল্লীতে খোঁজখবর নেওয়া হতো এবং ঈদ সামগ্রী প্রদান করা হতো। তবে দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে এবার তা করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, ১৯৭১ সালের ভয়াল হত্যাযজ্ঞে বিধবার কান্নায় ইতিহাস কেঁপে উঠেছিল। অথচ আজও সেই বিধবাদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে আবারও তাদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর