রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

নালিতাবাড়ীতে ভূমি সেবায় ঘুষের অভিযোগে তোলপাড়: শোকজের পরও বহাল কর্মকর্তা

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ২৮৩ বার দেখা হয়েছে

 

তানিম আহমেদ নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় ভূমি সেবা দিতে গিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে নয়াবিল–রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) সেলিনা পারভীনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে গত ১ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়। তবে শোকজের পরও তার দাপ্তরিক কার্যক্রমে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়নি। তিনি পূর্বের মতোই অফিসে উপস্থিত থেকে ভূমি সংক্রান্ত কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতীতের ঘুষ গ্রহনের ভাইরাল হওয়া ভিডিও নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত একটি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা গ্রহণ করে তা নিজের ব্যাগে রেখে দেন তিনি। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এখানে যা আছে সব খারিজ হবে, কোনো কথা নাই—তুই শুধু টাকা পাঠাবি।

ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ঘটনাটিকে প্রশাসনিক দুর্নীতির স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, নামজারি ও খারিজসহ বিভিন্ন ভূমি সেবা পেতে দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছিল। তবে সরাসরি লেনদেনের ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নয়াবিল গ্রামের এক ভুক্তভোগী জানান, ২০ শতাংশ জমির নামজারি ও খারিজের জন্য তার কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়, যেখানে সরকারি নির্ধারিত ফি ১১৭০ টাকা। অতিরিক্ত অর্থের বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে বলা হয়, শুধু সরকারি ফি দিলে কাজ হয় না, উপরের খরচ আছে। এমনকি অনেকেই ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান বলেন, বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সাম্প্রতিক অভিযোগ ও শোকজ-পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া না হলে জনমনে আস্থাহীনতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর