বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল অনুষ্ঠিত জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান ২ নং মেদনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পিছনে ফেলেছে ভৈরব: বাজারের নামকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ৪, আহত শতাধিক মাঝের আলগা নদী এলাকায় বিজিবির অভিযানে ১০টি ভারতীয় গরু ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ রৌমারীতে মাদক ব্যবসায়ী পলাতক ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানে পরিবেশ রক্ষায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ “অনিয়মের বিরুদ্ধে বড় অভিযান—একযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল” নালিতাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ১৮০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, আটক ২ নালিতাবাড়ীতে গভীর রাতে সড়ক দুর্ঘটনা অটোরিকশাচালক-যাত্রী নিহত কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি মুজাহিদ বিল্লাহ, সেক্রেটারি আবু আহমেদ

রাজারহাটে রাজনৈতিক সহিংসতা: ‘শিশির’কে ঘিরে উত্তেজনা, আহত একাধিক

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০৪ বার দেখা হয়েছে

আকাশ খান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সাম্প্রতিক এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একই রাজনৈতিক বলয়ের মধ্যে অবস্থান করা দুটি দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজারহাটে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে হাবিব নামের এক যুবক রয়েছেন, যিনি গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এছাড়া সকালে আরও কয়েকজনের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার সময় তাদের ব্যক্তিগত মালামাল, বিশেষ করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে করে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।

এদিকে, স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক বিভাজন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এমন সংঘর্ষের ঘটনা নতুন নয়। তবে এ ধরনের সহিংসতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর