আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পবিত্র রমজান মাস শেষের দ্বারপ্রান্তে। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা ঘিরে প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। তবে মেঘলা আবহাওয়ার কারণে আজ চাঁদ দেখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারিকে ঘিরে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে Iran হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের স্বার্থে আঘাত এলে বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে ইরানের নৌবাহিনীর ফ্রিগেট IRIS Dena ডুবে
ইরানের রাজনীতিতে সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি বিষয়— মোজতবা খামেনি নাকি দেশের সর্বোচ্চ নেতা হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ও আলোচনা ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত এর কোনো
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei সমকালীন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল তিনি ইরানের পবিত্র নগরী Mashhad-এ জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবার ছিল ধর্মীয় ও শিক্ষিত পরিবেশে
আন্তর্জাতিক রাজনীতির অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এক নাম Ayatollah Ali Khamenei। ১৯৮৯ সালে Ruhollah Khomeini–এর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। এরপর থেকে প্রায় তিন দশকের বেশি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২ মার্চ ২০২৬ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি Saudi Aramco-র গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ইরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ঘিরে আবারও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছে North Korea। দেশটি বলছে, কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী। উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্ব
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো তাদের উন্নত রাডার নেটওয়ার্ক। এই রাডারগুলো মূলত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা আগাম শনাক্ত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei–এর ছেলে এখন দেশের প্রধান হয়েছেন—এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ালেও এ বিষয়ে কোনো সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে