কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা থেকে নাম কাটিয়ে দেওয়ার কথা বলে এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একটি চলমান মামলায় নাম বাদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে ওই বাড়ি থেকে অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা আদালতে মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে যুবদলের জেলা পর্যায়ের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে তা সংগঠনের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ ঘটনায় প্রশাসন বা দলীয়ভাবে কোনো তদন্ত হয় কি না, সেদিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।