মুরাদনগরে টানা মোবাইল কোর্ট অভিযান, লাখাধিক টাকা জরিমানা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী রায়তি বা ভূমি মালিককে ভূগর্ভস্থ সকল স্বার্থ থেকে বারিত করার বিধান কার্যকর রাখতে মুরাদনগর উপজেলায় ধারাবাহিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
উপজেলা প্রশাসন, মুরাদনগরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন ইউনিয়নে অবৈধভাবে পরিচালিত ড্রেজার, পাইপ অপসারণ এবং অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানের বিস্তারিতঃ
২১ জানুয়ারি ২০২৬
পূর্ব ধৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের হাটাশ গ্রাম থেকে ২টি ড্রেজার ও প্রায় ৫ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ করা হয়।
১৯ জানুয়ারি ২০২৬
চাপিতলা ইউনিয়নের ওলোমুরিয়া গ্রাম থেকে ১টি ড্রেজার ও প্রায় ১ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ করা হয়।
এসময় বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) এর ৭ ও ১৫ ধারায় একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
১৮ জানুয়ারি ২০২৬
শ্রীকাইল ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রাম থেকে ১টি ড্রেজার ও প্রায় ৩ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ করা হয়।
১৩ জানুয়ারি ২০২৬
ফুটপাত দখলমুক্ত ও বাজার মনিটরিং অভিযানে মোবাইল কোর্ট আইনে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
১২ জানুয়ারি ২০২৬
যানবাহন অবৈধ পার্কিং ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার অপরাধে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
১১ জানুয়ারি ২০২৬
গোমতী নদী থেকে অবৈধ মাটি কাটার অপরাধে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) অনুযায়ী একটি মামলায় একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
পাশাপাশি ভবিষ্যতে মাটি কাটবে না মর্মে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
একই দিনে বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের খামারগ্রাম এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার ও আনুমানিক ১৫০০ ফুট পাইপ অপসারণ করা হয়।
অভিযান পরিচালনাঃ
উক্ত মোবাইল কোর্ট অভিযান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মুরাদনগর মহোদয়ের নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সাকিব হাছান খাঁন এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষা ও সরকারি সম্পদ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।