রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

৫ ভরি স্বর্ণের নেকলেস ফেরত দিয়ে সমাজের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠলেন রিকশাচালক

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

আজকের সমাজে যেখানে মানুষ সামান্য সুযোগ পেলেই নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়, সেখানে এক রিকশাচালক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সততা, নৈতিকতা ও মানবিকতার। নাম তার দিগন্ত কুমার দাস। তিনি একটি ভাড়ায়চালিত রিকশা চালান, যেটি **ধারাভাষ্যকার রবিউল ইসলাম–এর মালিকানাধীন।

ঘটনার শুরু আজ সকালে। এক গৃহবধূ (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বাজার করতে বের হন, এবং অসতর্কতার কারণে প্রায় ৫ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের নেকলেস রাস্তায় হারিয়ে ফেলেন। স্বর্ণের এমন মূল্যবান গহনা হারিয়ে তিনি ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েন। কিন্তু ভাগ্যের লিখন ছিল ভিন্ন।

ঠিক সেই সময় ওই রাস্তায় ছিলেন দিগন্ত কুমার দাস। গহনাটি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তিনি তা কুড়িয়ে নেন। কেউ না দেখলেও, দিগন্ত কুমার দাসের অন্তরের চোখ ছিল খোলা। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বুঝতে পারেন, এটি কোনো সাধারণ জিনিস নয় – এটি হয়তো কারও কষ্টার্জিত সম্পদ, হয়তো কারও পারিবারিক স্মৃতিবাহী গহনা।

তিনি মালিক খোঁজার চেষ্টা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে নেকলেসটি নিরাপদে হারানো মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেন। দিগন্তের এই উদাহরণ আজকের সমাজে একটি বিরল ঘটনা। তার সততা ও আন্তরিকতাই তাকে করে তুলেছে বিশেষ একজন মানুষ।

এই অসাধারণ কাজের জন্য তাকে সম্মান জানানো হয়। তার ইচ্ছানুযায়ী, তাকে উপহার হিসেবে একটি স্মার্টফোন প্রদান করা হয়েছে, যা তার জীবনযাত্রায় কিছুটা হলেও স্বাচ্ছন্দ্য আনবে বলে আশা করা যায়।

ঘটনার সাক্ষী ও নেকলেসটির মালিক পক্ষের এক সদস্য বলেন,
“এমন সত মানুষ সমাজে এখনও আছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। দিগন্ত ভাই শুধু স্বর্ণের নেকলেস ফেরত দেননি, ফেরত দিয়েছেন আমাদের বিশ্বাস।”

এই ঘটনাটি শুধুই একটি গহনা ফিরে পাওয়ার নয়, এটি একটি বার্তা বহন করে—সততা এখনও জীবিত, নৈতিকতা এখনও মূল্যবান। দিগন্ত কুমার দাসের মতো মানুষেরাই প্রমাণ করেন, এই পৃথিবী এখনও টিকে আছে কিছু সত্যিকারের ভাল মানুষের জন্য।

আমরা সমাজের পক্ষ থেকে দিগন্ত কুমার দাসকে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।


সংবাদ প্রতিবেদক \অনিক হাসান]
তারিখ: [৬/১৭/২০২৫]


অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর