সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্মানে বরণ করা হলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম

অদম্য মেধাবী নাজমুস সাকিবের স্বপ্নপূরণে সহযোগিতা চাই ভ্যানচালক বাবা।

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

শেরপুর জেলা ( প্রতিনিধি)

অদম্য ইচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রমে সব বাধা জয় করে অবশেষে নিজের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে নালিতাবাড়ীর এক ভ্যানচালকের ছেলে নাজমুস সাকিব। এবার জিএসটি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ৭৫তম মেধাস্থান অর্জন করে সে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে মনোনীত হয়েছে। তার এই সাফল্যে তারাগঞ্জ ফাযিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিবারে আনন্দের বন্যা বইছে।

তবে, ছেলের উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন দরিদ্র বাবা।প্রতিকূলতা পেরিয়ে মেধাবী নাজমুসের জয়যাত্রা কোভিড-১৯ মহামারির সময় নাজমুসের পরিবারে চরম আর্থিক সংকট নেমে আসে। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই হাল ধরেন অদম্য নাজমুস। নবম শ্রেণীতে পড়ার সময় থেকেই নালিতাবাড়ীর একটি স্বর্ণের দোকানে চাকরি শুরু করে সে। গত পাঁচ বছর ধরে দিনে কাজ আর রাতে অনলাইনে বিভিন্ন পেইড কোর্স থেকে পড়াশোনা চালিয়ে সে নিজেকে তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য। দিনের বেলায় কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছে, আর রাতের নীরবতায় ডুবে থেকেছে বইয়ের পাতায়। তার এই নিরলস প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগই তাকে এনে দিয়েছে এই অসাধারণ সাফল্য।

পরিবারের ৪ ভাই-বোনের মধ্যে সাকিব ৩য়।
বাবার আকুল আবেদন ছেলের স্বপ্ন যেন থেমে না যায়”
নাজমুসের বাবা একজন ভ্যানচালক। ছেলের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে তিনি গর্বিত হলেও, তার চোখে এখন অজানা ভবিষ্যৎ চিন্তার ছাপ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির খরচ, বইপত্র কেনা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব। তিনি সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, যেন তার মেধাবী ছেলের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন আর্থিক সংকটের কারণে মাঝপথে থেমে না যায়। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতাই পারে নাজমুসের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবং তাকে দেশের একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর