শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ কটিয়াদীতে তাহেরা নূর স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবনির্বাচিত সভাপতির সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জে বিশাল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও ধ্বংস: হাওরের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নজিরবিহীন অভিযান

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় প্রায় ৬০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না/ম্যাজিক জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) দুপুর থেকে শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হিলচিয়া বাজার এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হিলচিয়া বাজারের একাধিক গুদামে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৬৪ বস্তা কারেন্ট জাল (মোট দৈর্ঘ্য ১২,৪০০ মিটার, আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা) এবং ১ হাজার ৫০টি চায়না/ম্যাজিক জাল (দৈর্ঘ্য ২৬,২৫০ মিটার, আনুমানিক মূল্য ৪২ লাখ টাকা) জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত সব জাল নদীপাড়ের খোলা স্থানে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম রিয়েল বলেন, “এই অভিযানটি আমার চাকরি জীবনের সবচেয়ে বড় অভিযান। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় রাত ৯টা থেকে শুরু করে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ধ্বংসের কাজ চলে।”

জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না জালের অবাধ ব্যবহার মা ও পোনা মাছ ধ্বংস করছে, যা হাওরাঞ্চলের মৎস্যসম্পদের ওপর চরম হুমকি সৃষ্টি করছে। মাছের প্রজনন মৌসুমে এ ধরনের জাল ব্যবহারে হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। তাই হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মাছের প্রাচুর্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এই অভিযান স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করেছে এবং মৎস্য সংরক্ষণে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর