বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল অনুষ্ঠিত জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান ২ নং মেদনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পিছনে ফেলেছে ভৈরব: বাজারের নামকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ৪, আহত শতাধিক মাঝের আলগা নদী এলাকায় বিজিবির অভিযানে ১০টি ভারতীয় গরু ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ রৌমারীতে মাদক ব্যবসায়ী পলাতক ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানে পরিবেশ রক্ষায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ “অনিয়মের বিরুদ্ধে বড় অভিযান—একযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল” নালিতাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ১৮০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, আটক ২ নালিতাবাড়ীতে গভীর রাতে সড়ক দুর্ঘটনা অটোরিকশাচালক-যাত্রী নিহত কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি মুজাহিদ বিল্লাহ, সেক্রেটারি আবু আহমেদ

নালিতাবাড়ীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় ঘর গুলোই তালাবদ্ধ। ঘর বরাদ্দ থাকলেও উপকারভোগীদের খোঁজ মেলেনি।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে

তানিম আহমেদ, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পে নির্মিত সরকারি ঘরগুলো বছরের পর বছর তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ভোগাইপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে দেখা গেছে, ৭০টি ঘরের মধ্যে প্রায় ৪০টিতেই তালা ঝুলছে। অনেক ঘরের উপকারভোগীদের খোঁজ মেলেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘর বরাদ্দের পর বেশিরভাগ পরিবার ঢাকাসহ অন্য শহরে চলে গেছে কর্মসংস্থানের খোঁজে। কেউ কেউ আবার সরকারি ঘর তালাবদ্ধ রেখে আগের বসতবাড়িতেই বসবাস করছে। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য – ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসন – নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

সরকারের ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প-২’ এর আওতায় ২০২৩ সালে শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলাকে চার ধাপে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত’ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বাস্তবচিত্র ভিন্ন।

ভোগাইপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,
অনেক ঘরে মানুষ থাকেন না, অথচ দরজায় তালা ঝুলছে নিয়মিত। স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম (৫৫) বলেন, “এখানে অনেক ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এমন লোকদের যাদের নিজস্ব বসতবাড়ি রয়েছে। তাই তারা ঘর ফেলে রেখে গেছে।”

চাম্পা বেগম (৫০) নামে এক উপকারভোগী বলেন, “সরকার আমাদের ঘর দিয়েছে, কিন্তু আশেপাশে কোনো কাজ নেই। তাই লোকজন কাজের সন্ধানে বাইরে চলে যায়, মাঝে মাঝে এসে দেখে যায়।”

স্থানীয় ইয়াসমিন আক্তার (৩০) বলেন, “অনেক ঘর ফাঁকা পড়ে থাকে। কোনো গৃহহীন পরিবার আশ্রয়ের আশায় এলেও আমরা তাদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাই যেন তারা ঘর বরাদ্দের প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর