রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

ঢাবি ভিসির সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, সমালোচনায় সারজিস আলম

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরতে আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ভিসির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

বিশেষ করে ছাত্রদলের ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসসহ কয়েকজন নেতাকে উত্তেজিত ভঙ্গিতে কথা বলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি একপর্যায়ে এমন হয়ে ওঠে যে, তাদের আচরণে উপস্থিত অনেকেই অস্বস্তি প্রকাশ করেন।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন,
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য স্যারের সঙ্গে আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস যেই ব্যবহার করেছে, সেটা রীতিমতো বেয়াদবি। যে জানে না একজন শিক্ষকের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়, তার ছাত্রনেতা হওয়া তো দূরের কথা, ছাত্র হওয়ারও ন্যূনতম যোগ্যতা নেই।”

তিনি আরও লেখেন,
“যদি কোনো যৌক্তিক অভিযোগ থাকে, সেটির সমাধান নিয়ম মেনেই হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে জামাত-শিবির বা পরবর্তীতে বিএনপি-ছাত্রদলের কর্মীদের উসকানিমূলক উপস্থিতিও আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে এসব কিছু ছাড়িয়ে গিয়ে—একজন শিক্ষকের সামনে তুই-তুকারি করে, টেবিল চাপড়ে কথা বলা শুধু নিন্দনীয়ই নয়, লজ্জাজনক। ধিক্কার জানাই।”

এই ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর