রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

মঙ্গল ভবনে মহিষাসুরমর্দিনী পূজা ১৩০ বছরের ঐতিহ্যে

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

তানিম আহমেদ নালিতাবাড়ী শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌর শহরের খালভাঙ্গা গ্রামের পালপাড়ায় অবস্থিত শ্রীশ্রী মঙ্গলভবন দুর্গাপূজা মণ্ডপ। জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন এই পূজা প্রায় ১৩০ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে। কেবল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। তবে তখনও শরনার্থী শিবিরে সংক্ষিপ্ত আকারে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

শোনা যায়, ১৮৯৫ সালের দিকে প্রয়াত শিক্ষাগুরু নগেন্দ্র চন্দ্র পাল স্যারের পূর্বপুরুষ মঙ্গল রাম সরকার গণ্যমান্য জ্ঞাতি ও প্রতিবেশীদের নিয়ে পূজামণ্ডপটির সূচনা করেছিলেন। সেই থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই শারদীয় উৎসব আয়োজন হয়ে আসছে।

স্থানীয় তরুণ সংগঠক শুভ্র প্রকাশ পাল বলেন, “আমরা বংশ পরম্পরায় জেনেছি এটি বাংলাদেশের ধারাবাহিক দ্বিতীয় প্রাচীন দুর্গাপূজা মণ্ডপ।” প্রতিবছরই এখানে ঐতিহ্যবাহী ধারা বজায় রেখে দেশীয় সংস্কৃতি ও মোটিফকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ পাল জানান, “অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এবছরও শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে।”

নালিতাবাড়ী উপজেলায় খালভাঙ্গা পালপাড়া গ্রাম শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও অনন্য ভূমিকা রেখে আসছে। স্থানীয় সাহিত্যপত্রিকা ‘বালুচর’-এর সম্পাদক রিয়াদ আল ফেরদৌস বলেন, “শিক্ষাগুরু নগেন্দ্র চন্দ্র পাল স্যারের হাত ধরেই এ গ্রামে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। মঙ্গলভবনের শারদীয় মহিষাসুরমর্দিনী উৎসব আজ সামাজিক সম্প্রীতির বাগান হয়ে উঠেছে, যেখানে শত সহস্র ফুলে রঙিন হয় মিলনমেলা।”

শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও প্রতিবছর এই পূজা উপলক্ষে মঙ্গলভবনে সমবেত হন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর