শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ কটিয়াদীতে তাহেরা নূর স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবনির্বাচিত সভাপতির সংবর্ধনা

কুমিল্লার মুরাদনগরে নিখোঁজের ৭দিন পর পুকুর থেকে গলায় পাথর বাঁধা অবস্থায় ছয় বছর বয়সী শিশু আদিবার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন সিমানারপাড় গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

শিশুটির নাম আদিবা জাহান মীম (৬)। তিনি সিমানারপাড় গ্রামের আবু হানিফের মেয়ে। আবু হানিফ পেশায় একজন চাকুরীজীবী। গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির আশপাশেই খেলছিল। হঠাৎ সন্ধ্যার পর থেকে শিশুটিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে রাতভর শিশুটির স্বজনেরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ মিয়া পুকুর পাড়ে বাঁশ কাটতে গিয়ে শিশুটির লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে শিশুটির গলায় রশি পেঁচিয়ে, সেই রশি দিয়ে একটি বড় পাথর বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে।

নিহত শিশু আদিবার বাবা আবু হানিফ জানান, আমি ঢাকায় চাকরি করার সুবাদে গ্রামের বাড়িতে মাঝেমধ্যে আসি। ঘটনার দিন আমি বাড়িতেই ছিলাম। বাড়িতে আসলে আদিবা সবসময় আমার সাথেই থাকে। কিন্তু শুক্রবার দুপুরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় আদিবা কে আমার সাথে করে বাজারে নিয়ে যেতে পারিনি। বাড়ি ফিরে শুনি আদিবা খেলতে গিয়ে আর ঘরে ফিরেনি। তারপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাইনি। যেই পুকুরটি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেখানেও আমরা লোকজনকে পানিতে নামিয়ে খোঁজাখুঁজি করেছি। তখন সেখান থেকে কোন কিছুই পাওয়া যায়নি। আমি চাই আর কোন বাবার বুক যেন খালি না হয়। প্রশাসন যেন খুনীকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর