শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে কুলিয়ারচরে “মানবিক দৃষ্টি”র পথচলা শুরু মুরাদনগরে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, প্রতিবাদে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে রাজনীতিক ও নাগরিকদের অংশগ্রহণ ফসল ঘরে তুলতেই যুদ্ধ—বাঁশের নড়বড়ে সাঁকোয় জীবন ঝুঁকিতে শোলাপুকুরিয়া-ভবানীপুরের মানুষ ভুয়া স্ক্রিনশট ও হামলার প্রতিবাদে ডাকসু তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে নকলায় ১০ হাজারের বেশি পরিবারের জন্য টিসিবি পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালু কিশোরগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, কৃষি উন্নয়নে প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্বারোপ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার প্রতিবাদে রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে হাজং প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি

নকলায় ১০ হাজারের বেশি পরিবারের জন্য টিসিবি পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালু

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

নালিতাবাড়ী শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের নকলা উপজেলায় নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারের মধ্যে এ পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে, যা চলবে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৯৪২টি পরিবারের মাঝে দিনব্যাপী টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হয়। এতে উপকারভোগীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে।
উপস্থিত ছিলেন টিসিবি ডিলার মো. শহিদ মিয়া, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল হামিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক সুবিধাভোগী নারী-পুরুষ এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

টিসিবি ডিলার মো. শহিদ মিয়া জানান, প্রতিটি প্যাকেজে রয়েছে ৫ কেজি চাল (১৫০ টাকা), ২ লিটার সয়াবিন তেল (২০০ টাকা), ২ কেজি মসুর ডাল (১২০ টাকা) এবং ১ কেজি চিনি (৭০ টাকা)। সব মিলিয়ে ৫৪০ টাকায় একটি প্যাকেজ সংগ্রহ করতে পারছেন উপকারভোগীরা।

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ন্যায্যমূল্যে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেয়ে দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষ অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত চালু থাকলে নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা হলেও কমবে এবং তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর