শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফসল ঘরে তুলতেই যুদ্ধ—বাঁশের নড়বড়ে সাঁকোয় জীবন ঝুঁকিতে শোলাপুকুরিয়া-ভবানীপুরের মানুষ ভুয়া স্ক্রিনশট ও হামলার প্রতিবাদে ডাকসু তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে নকলায় ১০ হাজারের বেশি পরিবারের জন্য টিসিবি পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালু কিশোরগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, কৃষি উন্নয়নে প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্বারোপ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার প্রতিবাদে রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে হাজং প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের জরুরি সংবাদ সম্মেলন কুমিল্লার মুরাদনগরে সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধা মাকে মারধরের হুমকি, আতঙ্কে ভুক্তভোগী

ফসল ঘরে তুলতেই যুদ্ধ—বাঁশের নড়বড়ে সাঁকোয় জীবন ঝুঁকিতে শোলাপুকুরিয়া-ভবানীপুরের মানুষ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

শোলাপুকুরিয়া ও ভবানীপুর গ্রামের কৃষকদের জন্য প্রতিদিনের জীবন যেন এক কঠিন সংগ্রাম। মাঠে উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। দুই গ্রামের মাঝখানে একটি খাল থাকলেও সেখানে এখনো নির্মিত হয়নি কোনো পাকা ব্রিজ বা কালভার্ট। ফলে বছরের পর বছর ধরে স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা হয়ে আছে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো।

কৃষকরা জানান, ধানসহ বিভিন্ন ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে নিতে গিয়ে তাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। ভারী বোঝা নিয়ে সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হওয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য, অনেক সময় ঘটে দুর্ঘটনাও। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পিচ্ছিল হয়ে ওঠে, তখন ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

শুধু কৃষকরাই নন, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্ক মানুষসহ দুই গ্রামের হাজারো বাসিন্দা প্রতিদিন এই সাঁকো ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যাতায়াত করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, যা এলাকাবাসীর জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।

স্থানীয়রা জানান, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাকা ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে দুই গ্রামের মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছেই।

এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী পাকা ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করা হোক। এতে করে কৃষকদের ফসল পরিবহন সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলেও আসবে স্বস্তি। এখন দেখার বিষয়, কবে নাগাদ এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর