শোলাপুকুরিয়া ও ভবানীপুর গ্রামের কৃষকদের জন্য প্রতিদিনের জীবন যেন এক কঠিন সংগ্রাম। মাঠে উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। দুই গ্রামের মাঝখানে একটি খাল থাকলেও সেখানে এখনো নির্মিত হয়নি কোনো পাকা ব্রিজ বা কালভার্ট। ফলে বছরের পর বছর ধরে স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা হয়ে আছে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো।
কৃষকরা জানান, ধানসহ বিভিন্ন ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে নিতে গিয়ে তাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। ভারী বোঝা নিয়ে সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হওয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য, অনেক সময় ঘটে দুর্ঘটনাও। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পিচ্ছিল হয়ে ওঠে, তখন ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
শুধু কৃষকরাই নন, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্ক মানুষসহ দুই গ্রামের হাজারো বাসিন্দা প্রতিদিন এই সাঁকো ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যাতায়াত করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, যা এলাকাবাসীর জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।
স্থানীয়রা জানান, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাকা ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে দুই গ্রামের মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছেই।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী পাকা ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করা হোক। এতে করে কৃষকদের ফসল পরিবহন সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলেও আসবে স্বস্তি। এখন দেখার বিষয়, কবে নাগাদ এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।