রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এনসিপির প্রথম ধাপে ১০০ চেয়ারম্যান-মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা কটিয়াদীতে ৪৩ মেধাবী শিক্ষার্থী পেল সম্মাননা ও ক্রেস্ট ভক্তদের ভিড়ে মুখর কিশোরগঞ্জ, উদ্বোধন হলো আলিশান রেস্টুরেন্ট প্রতারণার জাল বিস্তার করে কোটি টাকার মালিক ‘কবিরাজ’ আজমীর আলম শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ১৮ লাখ টাকার চুক্তিতে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার, আটক ৫ দেড় হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ছাত্রশিবিরের “আগামীর উত্তর : সম্ভাবনার প্রজন্ম” প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন হামলা: নিহত কিশোরগঞ্জের তরুণ রিয়াদ নকলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নিহত মাহিন্দ্র চালক কসবায় বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত দলমত নির্বিশেষে সবার দোয়া চাইলেন কবির উদ্দিন ভূঁইয়া

প্রতারণার জাল বিস্তার করে কোটি টাকার মালিক ‘কবিরাজ’ আজমীর আলম

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ইসলামপাড়া গ্রামের একসময়কার হতদরিদ্র রিকশাচালক খসরু আলমের ছেলে আজমীর আলম (৩৫) এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। মাত্র পাঁচ থেকে ছয় বছরের ব্যবধানে প্রতারণার মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি সুসংগঠিত প্রতারক চক্র। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তার স্ত্রী তানিয়া আক্তারের নামে থাকা একটি ব্যাংক হিসাবেই জমা রয়েছে অন্তত ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
পুলিশ জানায়, আজমীর আলম নিজেকে কবিরাজ পরিচয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতেন। পরে সেই বিশ্বাসকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত চক্রের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো এবং নির্দিষ্ট দায়িত্ব ভাগ করে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, চক্রটির সদস্যরা মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও জড়িত। এছাড়া অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের দলে ভেড়ানোরও অভিযোগ উঠেছে।
তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মোবাইলের মিনিট ও ইন্টারনেট প্যাক অফারের প্রলোভন, কবিরাজি চিকিৎসার নামে ভুয়া প্রচারণা এবং লটারিতে পুরস্কার জেতার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে আসছিল। তারা ফেসবুকে অসংখ্য ভুয়া আইডি ও পেজ খুলে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করতো এবং পরে বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বলে প্রতারণা সম্পন্ন করতো।
বিভিন্ন এলাকা থেকে একের পর এক অভিযোগ পাওয়ার পর চক্রটির ওপর নজরদারি শুরু করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিইউ)। দীর্ঘদিন মনিটরিংয়ের পর চক্রটির মূল হোতা আজমীর আলমসহ সংশ্লিষ্টদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, “চক্রটির আর্থিক লেনদেন, সদস্যদের কার্যক্রম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত প্রতারণামূলক প্রচারণার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর