সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবীগঞ্জ মেলায় ছাত্রদল নেতা জিসান ও ইশানের ওপর হামলার কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জনের বগাদিয়ায় মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন, খালেদ হাসান জুম্মন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৮ নং মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন কিশোরগঞ্জে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা, স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি ‘গুম প্রতিরোধ’ দিবসে ছাত্রশিবিরের ৬ দফা দাবি গুম প্রতিরোধ দিবসে ১১ দলের পদযাত্রা, সংসদে স্মারকলিপি আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে ইবিতে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ‘গুম প্রতিরোধ বিল’: স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে দুই সদস্যের ওয়াকআউট

‘গুম প্রতিরোধ’ দিবসে ছাত্রশিবিরের ৬ দফা দাবি

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ‘গুম ও নিপীড়নের খতিয়ান: ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ ও গুম প্রতিরোধে কার্যকর সংস্কারের দাবি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর ২টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। এ সময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্য এবং ভুক্তভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গুমের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা, নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগী ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ও র‍্যাব সংক্রান্ত আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন, নিরাপত্তা বাহিনীর চেইন অব কমান্ডের বাইরে স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা এবং মানবাধিকার কমিশনকে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন থেকে ছাত্রশিবিরের ৬ দফা দাবি:

১. গুম কমিশনে দায়ের করা ছাত্রশিবিরের ২৪১ জন নেতাকর্মীসহ সাত শতাধিক গুমের ঘটনা এবং নিখোঁজ ৭ ছাত্রনেতাসহ সব গুমের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

২. গুম ও হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

৩. নিখোঁজ ছাত্রনেতাদের প্রকৃত অবস্থান ও পরিণতি সম্পর্কে রাষ্ট্রকে স্পষ্ট জবাব দিতে হবে এবং গুমের শিকার ভুক্তভোগী ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল’ ও ‘র‍্যাব সংক্রান্ত বিল’ সংশোধন করে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে স্বাধীন তদন্তের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

৫. নিরাপত্তা বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’-এর বাইরে একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে গুমের ঘটনাগুলোর তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

৬. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে নিজস্ব তদন্ত দল দিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্তের পূর্ণ ক্ষমতা দিতে হবে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে ফেরত পাঠানোর বাধ্যবাধকতা বাতিল করতে হবে।

সংগঠনটি গুমের ঘটনায় জড়িত পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করারও আহ্বান জানায়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর