বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলায় এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে কলমাকান্দা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ কিশোরগঞ্জে সার গুদাম পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক, কৃত্রিম সংকটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি কিশোরগঞ্জে দুই হাসপাতালে অভিযান, দালাল চক্রের ১৭ সদস্য গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে সারাদেশে কর্মসূচি, কিশোরগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে কিশোরগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় শুভ হত্যায় গ্রেফতার “৩ দেশের প্রথম শতভাগ রোভার জেলা কিশোরগঞ্জ, ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কিশোরগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে দুই হাসপাতালে অভিযান, দালাল চক্রের ১৭ সদস্য গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

‎কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

‎কিশোরগঞ্জের সরকারি দুটি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী পরিচালিত অভিযানে প্রথমে ৩২ জনকে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে দালাল চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১৭ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
‎মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

‎পুলিশ সুপার জানান, কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন তথ্য পুলিশের কাছে ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের পর দালালদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী মঙ্গলবার পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সমন্বয়ে দুই হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
‎অভিযানে ৩২ জনকে আটক করার পর তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হয়। পরে দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করে চিকিৎসার জন্য আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের টার্গেট করতেন। তারা উন্নত চিকিৎসা, দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা কম খরচে চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের সরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যেতেন। এতে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা সাধারণ রোগী ও স্বজনরা প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত অর্থ খরচ করার অভিযোগও রয়েছে।

‎সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “সরকারি হাসপাতাল এলাকায় কোনো ধরনের দালালচক্রের তৎপরতা সহ্য করা হবে না। দালালদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
‎তিনি আরও জানান, জনগণের চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে হাসপাতালকেন্দ্রিক অপরাধ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর