নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি /নাজমুল খন্দকার আবির
বন্দর থানা পুলিশ অপরাধীদের জন্য অনেকটা আতংকিত হয়ে উঠছে। জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনা ও পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিনের বিচক্ষণতা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও নানামুখী কৌশলে নতুন অফিসারদের নিয়ে বন্দরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সফলতা অর্জনের পথে। বন্দর থানা এলাকায় এমন কোন দিন নেই যেখানে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ হত্যাকান্ডের মত ঘটনা না ঘটতো। পুলিশ প্রশাসনের উপর থেকে জনগনের আস্তা অনেকটা কমে গিয়েছিল। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে অনেকটা হিমশিম খেতে হয়েছে প্রশাসনকে। বন্দরের সর্ম্পন তালবেতাল অবস্থায় ওসির দায়িত্ব পান মোঃ জামাল উদ্দিন। বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিনের সরাসরি ওসির দায়িত্ব প্রথম৷ তারপরও সকল অফিসার নতুন। এমন সময় সোনারগাঁও থানা থেকে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক দায়িত্ব নেন মোঃ জামাল উদ্দিন।
প্রায় আড়াই মাস যাবত বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বন্দর থানাসহ ফাঁড়িতে পুলিশ সদস্য থাকলেও অনেকটা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। বন্দরের আলোচিত ত্রাস বাহিনী সিফাত ও জুম্মানের ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। যে সময়ে দেশের লাগোব বোয়ালরা পালিয়ে গেছে । আর সেখানে সিফাত ও জুম্মান বাহিনীর তান্ডব লীলা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম প্রশাসন। ঠিক সেই মূর্হুতে ৫ ঘন্টার আল্টিমেটামে সিফাত ও জুম্মানসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করে। এরপর থেকে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিনের বিচক্ষণতা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে এ পর্যন্ত প্রায় ৩শ জনকে গ্রেফতার করে রীতিমতো আলোচনায়। তার ম্যাজিকের বাকি অংশ দেখার অপেক্ষায় বন্দরবাসী।
এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, পুলিশ সুপার সাহেবের নির্দেশনায় নতুন অফিসারদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। অপরাধ দমনে প্রতিনিয়ত ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে অভিযান চলছে। অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের জন্য কোন প্রকার তদবির বন্দর থানায় চলে না। আমি এই চেয়ারে থাকা অবস্থায় কোন অপরাধীর জন্য কেউ তদবির করলে তারও একটা তালিকা হবে। অপরাধ দমনে পুলিশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করবে আর ওই অপরাধীর জন্য কেউ তদবীর করবে তা আমি মোঃ জামাল উদ্দিন থাকাবস্থায় হবে না।
বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ জামাল উদ্দিন আরো বলেন, থানা ছাড়াও বন্দরে ৩ টি ফাঁড়ি, ১ টি নৌ ফাঁড়ি, ১ টি তদন্ত কেন্দ্র ও ১টি ক্যাম্প। বন্দর থানা ও উপজেলা এলাকায় প্রায় ১২ লাখ লোকের বসবাস। জনগনের তুলনায় পুলিশের সদস্য না বললেই চলে। নেই প্রয়োজনীয় গাড়ীর ব্যবস্থা। নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনের সাংসদ এড আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব ও আবুল কাউসার আশা ২ টি গাড়ী দেয়াতে আমাদের কাজ করতে অনেকটা সহজ হচ্ছে।
সচেতন মহলের দাবী, ওসি জামাল উদ্দিন তার ফোর্সদের নিয়ে যেভাবে কাজ করছে তা প্রশংসনীয়। তার প্রতিটি কাজ যেন একটি করে রের্কডভুক্ত। তারমত অফিসার প্রতিটি থানায় খুব বেশি প্রয়োজন।
প্রায় আড়াই মাস হবে বন্দর থানা পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেন। সোনারগাঁও থানা থেকে সরাসরি পরিদর্শক হিসেবে মোঃ জামাল উদ্দিন যোগদান করেন। বন্দর এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে ছিল৷ ঠিক সেই সময়ে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক দায়িত্ব নিয়ে অনেকটা সফলতা অর্জনের পথে মোঃ জামাল উদ্দিন।