মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আরাফার ময়দানের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ আজও মানবতার দিশারি জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে জামায়াতে ইসলামী, বাউফলে মতবিনিময় ও উপহার বিতরণ ঐতিহ্যের শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাত, নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা কটিয়াদীতে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার মিঠামইনে পিকআপের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিহত ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেফতার ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ রাশেদ প্রধানের ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা হাসনাত আবদুল্লাহর অতিরিক্ত টোল আদায়ে দুই হাটের ইজারাদারকে জরিমানা ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ১ হাজার পরিবারে উপহার পৌঁছে দিলেন ফরহাদ হোসেন

ঐতিহ্যের শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাত, নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান-এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ১৯৯তম পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত। এ উপলক্ষে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ। ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ও বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টায় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখো মুসল্লির আগমনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মাজহারুল ইসলাম, সোহানা নাসরিনসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পুলিশ সুপার বলেন, “শোলাকিয়ায় আগত প্রত্যেক মুসল্লির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দেশের বৃহত্তম এই ঈদ জামাতকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে জেলা পুলিশ শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে।”
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুরো ঈদগাহ মাঠ ও আশপাশের এলাকাকে কয়েকটি নিরাপত্তা সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি সেক্টরে দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ সদস্য, র‍্যাব, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। মাঠের ভেতর ও বাইরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি চালানো হবে।
এছাড়া ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে শহরে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের যানবাহন নির্ধারিত স্থানে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে শহরে যানজট সৃষ্টি না হয় এবং সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
মুসল্লিদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে জায়নামাজ ছাড়া অন্য কোনো সামগ্রী—যেমন ব্যাগ, ছাতা, লাঠি বা ধাতব বস্তু—সঙ্গে নিয়ে মাঠে প্রবেশ না করতে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা তল্লাশি দ্রুত সম্পন্ন করার সুবিধার্থে মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিং শেষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকলকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত সম্পন্নে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর