বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাদুঘর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জাতির সংগ্রামের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি বলেন, এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, ততদিন দেশের মানুষের গণতন্ত্র ও স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাসও সংরক্ষিত থাকবে।


আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর পরিদর্শন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্পীকার উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের নিপীড়ন, নৈরাজ্য ও হত্যাকাণ্ডের নানা ঘটনা জাদুঘরে তথ্যনির্ভরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমদের ত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিশ্বের সামনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার কায়সার কামাল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তরুণদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
পরিদর্শনকালে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি, ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, ম্যুরাল, গ্রাফিতি এবং আন্দোলনভিত্তিক নথিপত্র ঘুরে দেখেন। তারা শহিদদের ব্যবহৃত সামগ্রী ও স্মারক পরিদর্শন করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই জাদুঘর চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।