রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

পবিত্র মাহে রমজানে কোন কাজ করলে সাহেরী ও ইফতারের সময় গোনাহ মাফ হয়?

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯০ বার দেখা হয়েছে

প্রতিবেদন:
পবিত্র মাহে রমজান মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য বিশেষ ক্ষমার দরজা খুলে দেন। বিশেষ করে সাহেরী ও ইফতারের সময় দোয়া কবুলের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত। তাই এই সময়গুলোতে কিছু আমল করলে গোনাহ মাফের সুসংবাদ পাওয়া যায়।

১. খালেস তওবা ও ইস্তিগফার

রমজানে আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাহেরীর আগে ও ইফতারের সময় বেশি বেশি করে “আস্তাগফিরুল্লাহ” পড়া এবং নিজের ভুলের জন্য তওবা করলে আল্লাহ গোনাহ মাফ করেন।

২. দোয়া করা
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, রোজাদারের দোয়া ইফতারের সময় ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। তাই ইফতারের মুহূর্তে নিজের, পরিবারের ও উম্মাহর জন্য দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৩. কুরআন তিলাওয়াত
রমজান কুরআন নাজিলের মাস। এই মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করলে নেকি বৃদ্ধি পায় এবং গোনাহ মাফের আশা করা যায়।

৪. দরিদ্রকে খাবার খাওয়ানো
ইফতার করানো অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। যে ব্যক্তি একজন রোজাদারকে ইফতার করায়, সে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পায়—এমন বর্ণনা রয়েছে।
৫. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও তারাবি আদায়
নিয়মিত নামাজ আদায় এবং তারাবির নামাজ পড়া রমজানের বিশেষ আমল। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিয়মিত ইবাদত করলে গোনাহ মাফ হয়।
৬. গীবত, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে বিরত থাকা
শুধু না খেয়ে থাকা রোজার উদ্দেশ্য নয়; বরং চোখ, কান ও জিহ্বাকে গোনাহ থেকে হেফাজত করা জরুরি। সাহেরী ও ইফতারের সময় আত্মসমালোচনা করে ভুল থেকে ফিরে আসা গুরুত্বপূর্ণ।

উপসংহার
মাহে রমজান হলো আত্মশুদ্ধির মাস। সাহেরী ও ইফতারের সময় বিশেষভাবে তওবা, দোয়া, ইস্তিগফার ও সৎকাজে মনোযোগী হলে আল্লাহ তাআলার রহমতে গোনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ পাওয়া যায়। তাই এই পবিত্র মাসে প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদত ও নেক আমলে ভরিয়ে তোলা উচিত।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর