ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে আজ এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনেও পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
হাদির মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেন। তাঁর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারাও গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
গতকাল পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও শোক প্রকাশ করেছেন।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, অন্যায় ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে হাদির দৃঢ় অবস্থান গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস ছিল।
ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সমসাময়িক রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে শরিফ ওসমান হাদির ভূমিকা ছিল অনুকরণীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ী।
এ ছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ এবং প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব পৃথকভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো শোকবার্তায় বলা হয়, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সাহসী ও সংগ্রামী তরুণ কণ্ঠস্বর। তাঁর দেশপ্রেম ও দৃঢ়তা জাতি দীর্ঘদিন স্মরণ করবে।