রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালেমাখচিত পতাকা হাতে নকলায় ছাত্র-জনতার বর্ণাঢ্য মিছিল দানাপাটুলি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে শুরু হলো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগ কার্যক্রম নালিতাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১১৯ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ উদ্ধার নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আসর থেকে ১৫ জুয়াড়ি আটক, নগদ টাকা ও গাড়ি জব্দ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ সফরে ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হাওরে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অভিযান, প্রায় ১৫টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারী চিকিৎসক হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি দাবিতে চাঞ্চল্য হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের স্মারকলিপি প্রদান সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

নালিতাবাড়ীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় ঘর গুলোই তালাবদ্ধ। ঘর বরাদ্দ থাকলেও উপকারভোগীদের খোঁজ মেলেনি।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে

তানিম আহমেদ, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পে নির্মিত সরকারি ঘরগুলো বছরের পর বছর তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ভোগাইপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে দেখা গেছে, ৭০টি ঘরের মধ্যে প্রায় ৪০টিতেই তালা ঝুলছে। অনেক ঘরের উপকারভোগীদের খোঁজ মেলেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘর বরাদ্দের পর বেশিরভাগ পরিবার ঢাকাসহ অন্য শহরে চলে গেছে কর্মসংস্থানের খোঁজে। কেউ কেউ আবার সরকারি ঘর তালাবদ্ধ রেখে আগের বসতবাড়িতেই বসবাস করছে। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য – ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসন – নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

সরকারের ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প-২’ এর আওতায় ২০২৩ সালে শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলাকে চার ধাপে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত’ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বাস্তবচিত্র ভিন্ন।

ভোগাইপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,
অনেক ঘরে মানুষ থাকেন না, অথচ দরজায় তালা ঝুলছে নিয়মিত। স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম (৫৫) বলেন, “এখানে অনেক ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এমন লোকদের যাদের নিজস্ব বসতবাড়ি রয়েছে। তাই তারা ঘর ফেলে রেখে গেছে।”

চাম্পা বেগম (৫০) নামে এক উপকারভোগী বলেন, “সরকার আমাদের ঘর দিয়েছে, কিন্তু আশেপাশে কোনো কাজ নেই। তাই লোকজন কাজের সন্ধানে বাইরে চলে যায়, মাঝে মাঝে এসে দেখে যায়।”

স্থানীয় ইয়াসমিন আক্তার (৩০) বলেন, “অনেক ঘর ফাঁকা পড়ে থাকে। কোনো গৃহহীন পরিবার আশ্রয়ের আশায় এলেও আমরা তাদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাই যেন তারা ঘর বরাদ্দের প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর