নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নাজমুল খন্দকার আবির
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। এরই মধ্যে এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন তরুণ সমাজসেবক ও সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী শাকিল হোসাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলাবাগা খালপাড়সহ ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে এসব সড়কে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ ছিল বেশি।
এ পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন শাকিল হোসাইন। এ কাজে স্থানীয় যুবসমাজ ও এলাকাবাসীও অংশ নিচ্ছেন। তাঁর উদ্যোগে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার অলিগলি সংস্কারের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাটের দুরবস্থার কারণে তাঁদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাঁদের দাবি, জনপ্রতিনিধিদের কাছে সমস্যার কথা জানিয়েও প্রত্যাশিত সমাধান পাননি। এমন পরিস্থিতিতে শাকিল হোসাইনের উদ্যোগ তাঁদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। আগামী নির্বাচনে তাঁকে ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে দেখতে চান বলেও মত প্রকাশ করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
যা বললেন শাকিল হোসাইন
নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী শাকিল হোসাইন বলেন, মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাঁদের সমস্যাগুলো শুনে সমাধানের চেষ্টা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। শুধু নির্বাচনে অংশ নেওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য নয়; বরং কাজের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছাতে চান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধি হতে পারেন কিংবা না-ও পারেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এলাকার মানুষ যদি তাঁকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আরও ভালো কাজ করার চেষ্টা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। এরই মধ্যে রাস্তাঘাট সংস্কারে শাকিল হোসাইনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর একাংশের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন কার পক্ষে যায়, তা নির্ধারিত হবে ভোটের মাধ্যমেই।