রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Subnautica 2 GOTY PC 0x35817f55 বন্দর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কারে শাকিল হোসাইনের উদ্যোগ মধুটিলায় মন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় ফরহাদ হোসেনের উদ্যোগে গাড়িবহর মধুটিলা ইকোপার্কে পরিবেশমন্ত্রী হাতি সংরক্ষণে আন্তর্দেশীয় উদ্যোগের ঘোষণা আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ঢাবিতে ‘নিপীড়নবিরোধী দিবস’ পালিত শহীদ আবরার ফাহাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে কিশোরগঞ্জে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল কুলিয়ারচরে চাঞ্চল্যকর হানিফ হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন খাদ্য খাতের যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি কঠোরভাবে দমন করা হবে-খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

মধুটিলা ইকোপার্কে পরিবেশমন্ত্রী হাতি সংরক্ষণে আন্তর্দেশীয় উদ্যোগের ঘোষণা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

‎
‎তানিম আহমেদ নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি
‎
‎শেরপুরের গারো পাহাড়ে বিচরণরত বন্যহাতির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে আন্তর্দেশীয় করিডর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে আগের প্রটোকল অনুসরণ করে শিগগিরই ভারতের সঙ্গে সংলাপ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু।
‎
‎শনিবার (১০ অক্টোবর) শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসন ও বন্যহাতি সংরক্ষণবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‎
‎মন্ত্রী বলেন, মেঘালয় থেকে আসা প্রায় ১৩০ থেকে ১৩৫টি বন্যহাতি সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কারণে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারছে না। ফলে হাতিগুলো শেরপুরের গারো পাহাড় এলাকায় আটকা পড়ে আছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হাতি চলাচলের জন্য সীমান্তের গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। একই সঙ্গে শেরপুরের বনাঞ্চলকে বন্যহাতির নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
‎
‎তিনি আরও বলেন, শেরপুরের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গারো পাহাড় ও বন্যহাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি বন্যহাতি সংরক্ষণ এবং মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব নিরসনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
‎
‎শেরপুর জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল) মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ  নুরুল করিম এবং শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
‎
‎সভায় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, বন্যহাতি কোনো আপদ নয়, এটি আমাদের সম্পদ। হাতি সংরক্ষণ ও মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব নিরসনে তাদের চলাচলের করিডর সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য আন্তর্দেশীয় সংলাপের পাশাপাশি হাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। এতে স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে এবং মানুষ-হাতির সংঘাত কমে আসবে।
‎
‎
‎সভায় স্বাগত বক্তব্যে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম জানান, শেরপুরের বনাঞ্চলে প্রায় ১৩০ থেকে ১৪০টি বন্যহাতি বিচরণ করছে। হাতির চলাচল ও খাদ্যসংকটকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হচ্ছে। হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও সংঘাত মোকাবিলায় প্রতি দলে ১০ জন করে ৫৩টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি হাতির চলাচল পর্যবেক্ষণে ৪৫টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
‎
‎মতবিনিময় সভায় বন্যহাতির আক্রমণ ও তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ জনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১০টি ইআরটি দলের সদস্যদের মধ্যে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর