মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Mirillis Action Portable + Crack [Clean] (x32-x64) Bokshi 2026 BRRip AVC Updated Audio 𝐘𝐢𝐟𝐲 𝐌𝐨𝐯𝐢𝐞𝐬 Torr𝐞nt নালিতাবাড়ীতে গণশুনানি, দুর্নীতি কমাতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ইউএনওর বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: ৩০ বছর পর কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা শুরু ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর বন্দর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কারে শাকিল হোসাইনের উদ্যোগ মধুটিলায় মন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় ফরহাদ হোসেনের উদ্যোগে গাড়িবহর মধুটিলা ইকোপার্কে পরিবেশমন্ত্রী হাতি সংরক্ষণে আন্তর্দেশীয় উদ্যোগের ঘোষণা আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ঢাবিতে ‘নিপীড়নবিরোধী দিবস’ পালিত

পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা শুরু

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের দানবাক্সে জমা হওয়া স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন পরিমাপ ও গণনা শুরু হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত ৯টি মাঝারি আকারের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালাকৃত খাম খুলে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পাগলা মসজিদে আগত দর্শনার্থীরা নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণ-রূপার গয়না এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা দান করেন। দানবাক্স খোলার পর এসব মূল্যবান সামগ্রী সিলগালা করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হয়। এবার স্বর্ণ ও রূপা ক্যারেট অনুযায়ী পৃথক করে ওজন নির্ধারণ করা হচ্ছে। পরে বাজারমূল্য নির্ধারণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা দেশভিত্তিক পৃথক করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, সর্বশেষ ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পৃথক করে গণনা করা হয়েছিল। সে সময় ৪১৫ ভরি ১ আনা স্বর্ণ ও ১৮৪ ভরি রূপা নিলামে বিক্রি করে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, ২০২০ সালের ১১ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ বার দানবাক্স খোলা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৭ জুন দানবাক্স খোলা হয়। বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে জমা রয়েছে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এ ছাড়া মসজিদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা।

এদিকে, ১ কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৪ টাকা ব্যয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণে তিনটি নামাজের শেড, অজুখানা ও নারীদের জন্য ওয়াশব্লক নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদের বাইরে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের নকশা প্রণয়নের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা এবং ওজন নির্ধারণ কার্যক্রমে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য। এ ছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছয়জন কর্মচারী, মসজিদের কর্মচারী, জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এ কাজে সহযোগিতা করছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর